বিজয়কে সরকার গঠনে বাধা দিচ্ছেন রাজ্যপাল? বিরোধীদের বিস্ফোরক অভিযোগে সরগরম তামিলনাড়ু

 


তামিলনাড়ুতে ভোটের ফল ঘোষণার পর সরকার গঠন নিয়ে রাজনৈতিক অচলাবস্থা আরও গভীর হচ্ছে। রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আর্লেকর স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বিজয়ের দল ‘তামিলগা ভেত্রি কড়গম’-এর কাছে এখনও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই।


বিজয়ের সামনে এখন কোন পথ?

২৩৪ সদস্যের বিধানসভায় ১০৮টি আসন পেয়ে সবচেয়ে বড় দল হিসেবে উঠে এসেছে বিজয়ের দল। কিন্তু সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১১৮ জন বিধায়কের সমর্থন। কংগ্রেসের ৫ বিধায়কের সমর্থন পেলেও এখনও সংখ্যার অঙ্কে পিছিয়ে রয়েছে দলটি। সেই কারণেই বামপন্থী দল, বিদুথালাই চিরুথাইগল এবং ভারতীয় ইউনিয়ন মুসলিম লিগের সমর্থন চাইছে বিজয়ের শিবির।


আগামী দু’দিনের মধ্যেই এই দলগুলি নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।


এরই মধ্যে চেন্নাইয়ে ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি এবং মার্কসবাদী কমিউনিস্ট পার্টির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিজয়ের দলের প্রতিনিধিরা। অন্যদিকে বিদুথালাই চিরুথাইগল নেতা থোল থিরুমাভলভন জানিয়েছেন, বামপন্থী দলগুলির সিদ্ধান্তের পরই তারা নিজেদের অবস্থান ঠিক করবে।


প্রথম সুযোগ কি বিজয়েরই প্রাপ্য?

অন্যদিকে কংগ্রেস, বামপন্থী দল এবং বিদুথালাই চিরুথাইগল রাজ্যপালকে নিশানা করে বলেছে, সবচেয়ে বড় দল হিসেবে বিজয়েরই প্রথমে সরকার গঠনের সুযোগ পাওয়া উচিত। এম কে স্ট্যালিনের নেতৃত্বাধীন দ্রাবিড় মুন্নেত্র কড়গমও তাদের জোটসঙ্গীদের একসঙ্গে থাকার আহ্বান জানিয়েছে।


এদিকে ভারতীয় জনতা পার্টির বক্তব্য, সরকার গঠনের পুরো প্রক্রিয়া সংবিধান মেনেই হবে এবং রাজ্যপাল নিয়ম অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবেন। ফলে তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত। এখন সবার নজর একটাই প্রশ্নে—বিজয় কি শেষ পর্যন্ত প্রয়োজনীয় সমর্থন জোগাড় করতে পারবেন, নাকি রাজ্যে তৈরি হবে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ?

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

মুর্শিদাবাদে উত্তপ্ত পরিস্থিতি! কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনেই তৃণমূল ও হুমায়ুন কবীর সমর্থকদের সংঘর্ষে চাঞ্চল্য

বাংলায় ১৫২টির মধ্যে ১১০টিরও বেশি আসনে জয়ের দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

আম আদমি পার্টিতে ফাটল! রাঘব-স্বাতি সহ বিজেপিতে একাধিক সাংসদ