"সনাতন ব্যবস্থা শেষ হোক", ফের বিতর্কিত মন্তব্য উদয়নিধি স্ট্যালিনের
তামিলনাড়ুতে বিজয়ের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। ভরাডুবির পর এবার বিরোধী আসনে বসতে হচ্ছে ডিএমকেকে। বিধানসভার দ্বিতীয় দিনে মঙ্গলবার ফের সনাতন ব্যবস্থা নিয়ে কড়া মন্তব্য করলেন বিরোধী দলনেতা উদয়নিধি স্ট্যালিন। তিনি বলেন, মানুষকে বিভক্ত করে এমন সনাতন প্রথা অবশ্যই শেষ হওয়া উচিত।
বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে উদয়নিধি বলেন, স্পিকার জে. সি. টি. প্রভাকর দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ জনপ্রতিনিধি এবং বিধানসভার নিয়ম-কানুন সম্পর্কে সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন স্পিকার হিসেবে প্রভাকর নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি উপ-স্পিকার রবিকুমারও বিধানসভার কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবেন বলে জানান তিনি।
উদয়নিধি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বিজয় ব্যক্তিগতভাবে সব রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে দেখা করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, সেই রাজনৈতিক সৌজন্য বিধানসভাতেও বজায় থাকা উচিত। ডিএমকে শত্রু দল হিসেবে নয়, গঠনমূলক বিরোধী শক্তি হিসেবেই কাজ করবে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে ডিএমকে বরাবরই একটি গঠনমূলক শক্তি। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সুস্থ বিতর্কের পরিবেশ বজায় রাখাই হওয়া উচিত বিধানসভার মূল লক্ষ্য। সরকার পরিচালনার অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ টেনে উদয়নিধি দাবি করেন, তামিলনাড়ুতে প্রশাসন চালানোর ক্ষেত্রে ডিএমকেই সবচেয়ে অভিজ্ঞ দল।
উদয়নিধি বলেন, স্পিকার, মুখ্যমন্ত্রী এবং তিনি একই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করলেও সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে ডিএমকের দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা রয়েছে। ১৯৬৭ সালে প্রথমবার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই রাজ্যের শাসন ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে ডিএমকে। সেই অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান নতুন সরকারের সঙ্গে ভাগ করে নিতে দল প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।
অল্পসমর্থনের সরকার প্রসঙ্গে উদয়নিধি বলেন, জনগণ বিজয়ের দলকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না দিলেও মিত্রদলগুলোর সমর্থনে সরকার গঠন হয়েছে। তিনি নতুন সরকার ও মুখ্যমন্ত্রীকে শুভেচ্ছাও জানান।
এরপরই সনাতন ব্যবস্থা নিয়ে সরব হয়ে উদয়নিধি বলেন, মানুষকে বিভক্ত করে এমন প্রথার অবসান হওয়া দরকার। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, তাঁর এই মন্তব্যের সময় স্পিকার জে. সি. টি. প্রভাকর কিংবা মুখ্যমন্ত্রী বিজয় কেউই কোনও আপত্তি জানাননি।
.jpg)
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন