‘দশবার খোলা হয়েছে স্ট্রং রুম’, বিজেপির অভিযোগে বরখাস্ত ৬ আধিকারিক




হাইলাইটস:
স্ট্রং রুম বিতর্কে ৬ জন আধিকারিক সাময়িক বরখাস্ত
নির্ধারিত সময়ের আগেই স্ট্রং রুম খোলা থাকার অভিযোগ
একাধিকবার স্ট্রং রুম খোলা হয়েছে বলে দাবি বিরোধীদের


কলকাতা, ০২ মে ২০২৬, ১০:২২:০১ : পশ্চিমবঙ্গে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর স্ট্রং রুমকে ঘিরে তীব্র উত্তেজনার মধ্যে ছয়জন আধিকারিককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিরোধী দলের নেতারা বিধাননগরের মহকুমা শাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। সেখানে বলা হয়, নির্দিষ্ট সময়ে স্ট্রং রুম খোলার কথা থাকলেও তারা পৌঁছে দেখেন দরজা আগেই খোলা। সেই সময় খোলার প্রক্রিয়া চলছিল না, বরং আগে থেকেই খোলা ছিল। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুললেও সন্তোষজনক উত্তর মেলেনি।




অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, কাজ শুরুই না হওয়ার আগেই কেন স্ট্রং রুম খোলা হলো, তা জানতে চাওয়া হয়। পরে জানা যায়, একবার নয়, প্রায় দশবার স্ট্রং রুম খোলা হয়েছে। ১১৬ ও ১১৭ নম্বর বুথের বাছাই এবং ডাকযোগে দেওয়া ভোটের কাজ শেষ হয়ে গিয়েছিল। তাই কার নির্দেশে স্ট্রং রুম খোলা হয়েছে এবং কেন আগে থেকে জানানো হয়নি—এই প্রশ্নেরও স্পষ্ট জবাব পাওয়া যায়নি।
এই অভিযোগের ভিত্তিতে অনুমতি ছাড়া স্ট্রং রুম খোলার ঘটনায় ছয়জন আধিকারিককে বরখাস্ত করা হয়েছে। 



এদিকে শাসকদল ভোট শেষে স্ট্রং রুমে রাখা সিলমোহরযুক্ত ভোটযন্ত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চব্বিশ ঘণ্টা নজরদারির দাবি জানিয়েছে। তাদের একটি প্রতিনিধি দল মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ কুমার অগ্রওয়ালের দপ্তরে গিয়ে এই দাবি তুলে ধরেন।




বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কলকাতার দুটি গণনাকেন্দ্রে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। শাসকদলের নেতারা অভিযোগ করেন, স্ট্রং রুমে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে এবং কারচুপির আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। প্রার্থীরা জানান, হরিপাল, জলপাইগুড়ি, সাগরদিঘি, রামপুরহাট, ঘাটাল, আউসগ্রাম, আরামবাগ, তামলুক, তপন, তুফানগঞ্জ, ময়নাগুড়ি, জয়নগর, কসবা এবং সাতগাছিয়া সহ একাধিক জায়গায় স্ট্রং রুম এলাকায় লাগানো নজরদারি ক্যামেরা খারাপ থাকার খবর পাওয়া গেছে। তারা উপ মুখ্য নির্বাচন আধিকারিককে স্মারকলিপি দিয়ে দ্রুত এই সমস্যার সমাধানের দাবি জানান।

মন্তব্যসমূহ