দক্ষিণবঙ্গে কালবৈশাখীর আগমন! রবিবার থেকে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা, জারি সতর্কতা



হাইলাইটস :

বৈশাখ মাসে তীব্র গরম ও তাপপ্রবাহে কষ্ট পাচ্ছে দক্ষিণবঙ্গ

আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, খুব শীঘ্রই স্বস্তি মিলতে পারে

রবিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে শুরু হতে পারে কালবৈশাখীর বৃষ্টি

কলকাতা সহ একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা

ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি



কলকাতা, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩০:০১ : বৈশাখ মাসে সূর্যের তাপ ক্রমেই বাড়ছে। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, এই প্রচণ্ড গরম থেকে খুব শীঘ্রই স্বস্তি মিলতে পারে। দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে কালবৈশাখীর সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। রবিবার থেকে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি শুরু হতে পারে।



আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গের কিছু কিছু এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি শুরু হবে। উত্তর ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কলকাতাতেও রবিবার থেকে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার থেকে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলায় কালবৈশাখীর প্রভাব বজায় থাকতে পারে। এই সময় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সঙ্গে বজ্রপাত ও বৃষ্টি চলবে।



উত্তরবঙ্গে আরও তীব্র আবহাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যান্য জেলাগুলিতেও কমবেশি বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। এই জেলাগুলির জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনিবার থেকে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে। আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে রাজ্যের সর্বত্র তাপমাত্রা প্রায় তিন থেকে চার ডিগ্রি পর্যন্ত কমে যেতে পারে।



কিছু জেলায় ঝড়ের তীব্রতা আরও বেশি হতে পারে। হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া এবং বীরভূমে ঝড়ের গতি ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। সমুদ্র এলাকায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইছে। তাই মঙ্গলবার পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর ওড়িশার সমুদ্র উপকূলে মাছ ধরতে যাওয়া থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্যসমূহ