"ঝালমুড়ি খেলাম আমি, ঝাঁকুনি খেল তৃণমূল", ভোটের মাঝেই মন্তব্য পিএম মোদীর
"ঝালমুড়ি খেলাম আমি, ঝাঁকুনি খেল তৃণমূল", ভোটের মাঝেই মন্তব্য পিএম মোদীর
কলকাতা, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৫:৩৮:০১ : বাংলায় একদিকে যেখানে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ চলছে, অন্যদিকে দ্বিতীয় দফার জন্য জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দ্বিতীয় দফার ভোট ২৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। নদিয়ার কৃষ্ণনগরে এক জনসভায় তিনি বলেন, ঝালমুড়ি আমি খেয়েছি, কিন্তু ঝাঁকুনি লেগেছে তৃণমূল কংগ্রেসের। ৪ মে মিষ্টি আর ঝালমুড়ি দুটোই বিতরণ হবে। বাংলার আইনজীবীরা সত্যিকারের ন্যায়ের জন্য ভোট দিন। এবারের নির্বাচন বাংলার জনগণ নিজেরাই লড়ছে। যেখানে বেশি ভোট পড়বে, সেখানে ভারতীয় জনতা পার্টির জয় নিশ্চিত—এমনটাই মানুষের মত।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছে এবং বহু বছর পর নির্বাচনী হিংসা কমেছে। তিনি দাবি করেন, এই পরিবর্তন নির্বাচন পরিচালনাকারী সংস্থার সাফল্য। তাঁর কথায়, বাংলায় ভয় দূর হচ্ছে, বিশ্বাস বাড়ছে। ভোটের হার আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিচ্ছে। আগে রাজ্যে দুষ্কৃতীদের প্রভাব ছিল, এখন মানুষ সেই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যারা লুট করেছে তাদের হিসাব দিতে হবে। তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনে আর দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য চলবে না। দুর্নীতি ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে আর ভয় পাওয়ার দরকার নেই। বাংলার মহিলাদের জন্য দশটি প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বছরে ৩৬ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে এবং মহিলাদের জন্য ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণের ব্যবস্থা করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, "রাজ্যের বহু জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে এতটাই ক্ষোভ যে তাদের কোনও আসনই নাও হতে পারে। যেমন একসময় বাম শাসনের বিরুদ্ধে মানুষ একজোট হয়েছিল, তেমনই এখন তৃণমূলের বিরুদ্ধে সর্বত্র প্রতিবাদের সুর শোনা যাচ্ছে।" তিনি বলেন, "এই নির্বাচন কোনও নেতা নয়, বাংলার সাধারণ মানুষই লড়ছেন।"
তিনি আরও বলেন, "সরকারি কর্মচারী থেকে শুরু করে চিকিৎসক, শিক্ষক, আইনজীবী—সবাই ভয়ের পরিবেশ থেকে মুক্তি পেতে ভোট দিচ্ছেন। ব্যবসায়ী, রিকশাচালক, গাড়িচালক সকলেই চক্রবৃত্তি ও দালালি থেকে মুক্তি চান। এমনকি পুলিশও দুষ্কৃতীদের প্রভাব ছেড়ে মানুষের সেবা করতে আগ্রহী। বাংলার মানুষ এখন একটাই কথা বলছেন—ভয় দূর হোক, বিশ্বাস ফিরুক।"
.jpg)
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন