নজিরবিহীন! ভোট শুরু হতেই ভবানীপুরে বুথ পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী




হাইলাইটস : 

ভোট শুরুর এক ঘণ্টার মধ্যেই রাস্তায় নামলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
ভবানীপুরের একাধিক বুথে ঘুরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী
চেতলা, চক্রবেরিয়া ও বেলতলায় টানা পরিদর্শন



কলকাতা, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০৪:০১ : পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটের দিন এমন এক দৃশ্য সামনে এল, যা আগে কখনও দেখা যায়নি। সকাল সাতটায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে রাস্তায় নেমে পড়েন। তিনি ভবানীপুরের একাধিক বুথে ঘুরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। এই কেন্দ্রটি এবারের নির্বাচনে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হিসেবে ধরা হচ্ছে।
বুধবার সকালে প্রথমে তিনি চেতলায় যান। 



সেখানে গাড়িতে বসেই কিছুক্ষণ ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে আলোচনা করেন। এরপর তিনি চক্রবেরিয়ার কয়েকটি বুথে যান এবং পরে বেলতলা এলাকাতেও পরিদর্শন করেন।




২০২৬ সালের এই নির্বাচনে যে চিত্র দেখা গেল, তা একেবারেই নজিরবিহীন। ২০২১ সালে তিনি নন্দীগ্রাম থেকে প্রার্থী হলেও ভোটের সকালে এভাবে রাস্তায় নামতে দেখা যায়নি। তাই এবারের ঘটনাকে এককথায় অভূতপূর্ব বলা যায়।



ভবানীপুর এই নির্বাচনে বড় বড় প্রার্থীদের লড়াইয়ের কেন্দ্র। একদিকে রয়েছেন তৃণমূলের প্রার্থী ও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অন্যদিকে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। দুই শক্তিশালী রাজনৈতিক শিবিরের এই লড়াইয়ে এলাকাটি যথেষ্ট উত্তপ্ত।




২০২১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর ছেড়ে নন্দীগ্রাম থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, যেখানে তার প্রতিপক্ষ ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। অল্প ব্যবধানে সেখানে জয়ী হয়েছিল ভারতীয় জনতা পার্টি। পরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়া নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ ওঠে, গণনা কেন্দ্রের সময় ইচ্ছাকৃতভাবে বিদ্যুৎ বন্ধ করে দিয়ে ফলাফলে প্রভাব ফেলা হয়েছে। সেই বিতর্কের প্রভাব এখনও রয়ে গেছে, বিশেষ করে ভবানীপুরে চলতি ভোটগ্রহণে তার ছাপ স্পষ্ট।

মন্তব্যসমূহ