শেষ দফা ভোটের আগে বাংলায় NIA-র এন্ট্রি, বোমা আতঙ্ক নাকি অন্য কিছু? কমিশনের সিদ্ধান্তে উঠছে প্রশ্ন



হাইলাইটস :

পশ্চিমবঙ্গে ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় ও শেষ দফায় ১৪২ কেন্দ্রে ভোট

ভোটে বোমা ব্যবহার রুখতে জাতীয় তদন্ত সংস্থার মোতায়েন

দুষ্কৃতীদের রুখতে কমিশনের কড়া নির্দেশ

দেশি বোমা উদ্ধার ও বিস্ফোরণের ঘটনার পর বাড়তি সতর্কতা

ভাঙড়ে বিপুল বোমা উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য



কলকাতা, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ২১:১০:০২ : পশ্চিমবঙ্গে বুধবার (২৯ এপ্রিল) দ্বিতীয় ও শেষ দফায় ১৪২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। তবে এবারের ভোটে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে একটি বড় পদক্ষেপ—জাতীয় তদন্ত সংস্থার মোতায়েন। কমিশনের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ভোটের সময় যাতে কোনওভাবেই বোমা ব্যবহার না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।



ভোটের আগে কমিশন জাতীয় তদন্ত সংস্থাকে নির্দেশ দিয়েছে, যাতে কোনও দুষ্কৃতী ভোট প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করতে না পারে বা রাজনৈতিক দলের কর্মীদের লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালাতে না পারে। সম্প্রতি রাজ্যে দেশি বোমা উদ্ধার এবং একটি ছোট বিস্ফোরণের ঘটনার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, প্রথম দফার ভোট হয়েছিল ২৩ এপ্রিল এবং দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোট হবে বুধবার।



হিংসা রুখতে কড়া ব্যবস্থা

নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটের দিন কিংবা ভোটের পরবর্তী সময়ে যাতে কোনওরকম হিংসা না ছড়ায়, সেজন্য কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে। ২৬ এপ্রিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় এলাকায় এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ দেশি বোমা উদ্ধার হয়। ওই ব্যক্তি শাসক দলের কর্মী বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাই দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।



৭৯টি দেশি বোমা উদ্ধারের ঘটনায় তদন্ত

পরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে জাতীয় তদন্ত সংস্থা ৭৯টি দেশি বোমা উদ্ধারের ঘটনায় মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে। সংস্থার মুখপাত্র জানিয়েছেন, নির্দেশ মেনে এই মামলার তদন্ত শুরু হয়েছে, যা মূলত ভাঙড় থানায় নথিভুক্ত হয়েছিল।

মন্তব্যসমূহ

  1. শেষ দফার নির্বাচন যেন শান্তিপূর্ণ ভাবে হয়। পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক হিংসার প্রথা এবার বন্ধ হোক।

    উত্তরমুছুন

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন