‘রক্ত ঝরিয়ে সহানুভূতি চাইছে বিজেপি!’ শুভেন্দুর পিএ খুনে তৃণমূলের পাল্টা বিস্ফোরণ



কলকাতা : পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুন করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রের খবর, চন্দ্রনাথের মাথায় পরপর তিনটি গুলি লাগে এবং ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। বুধবার গভীর রাতে মধ্যমগ্রামের দোহড়িয়া এলাকায় বাইকে করে আসা দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালায়। দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক কার্যকলাপের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন চন্দ্রনাথ।




মধ্যমগ্রামে কী ঘটেছিল?

হেলমেট পরা বাইক আরোহী দুষ্কৃতীরা প্রথমে চন্দ্রনাথের গাড়ি আটকে দেয়। তারপর খুব কাছ থেকে এলোপাথাড়ি গুলি চালানো হয়। হামলার পর মুহূর্তের মধ্যে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় আততায়ীরা। এই ঘটনায় চন্দ্রনাথের গাড়িচালকও গুলিবিদ্ধ হন। তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।




খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। গাড়ির কাঁচে তিনটি গুলির স্পষ্ট চিহ্ন দেখা গেছে। জানা গিয়েছে, হামলাকারীদের বাইকে কোনও নম্বরপ্লেট ছিল না। রাত বাড়তেই একে একে ঘটনাস্থলে পৌঁছন বিজেপির একাধিক নেতা। শুভেন্দু অধিকারীও সেখানে যান।




তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া

তৃণমূল কংগ্রেস সামাজিক মাধ্যমে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যমগ্রামে চন্দ্রনাথ রথের নৃশংস হত্যার তীব্র নিন্দা জানানো হচ্ছে। পাশাপাশি নির্বাচনের পর গত তিন দিনে নিহত তিন তৃণমূল কর্মীর খুনের ঘটনাও নিন্দনীয় বলে দাবি করেছে দলটি।




তৃণমূলের অভিযোগ, নির্বাচনের আচরণবিধি চলাকালীন বিজেপি-সমর্থিত দুষ্কৃতীদের মদতেই এই হিংসার ঘটনা ঘটেছে। দলটি আদালতের তত্ত্বাবধানে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার মাধ্যমে দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাদের বক্তব্য, গণতন্ত্রে রাজনৈতিক হিংসা ও খুনের কোনও স্থান নেই। দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা উচিত।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বাংলায় ১৫২টির মধ্যে ১১০টিরও বেশি আসনে জয়ের দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

মুর্শিদাবাদে উত্তপ্ত পরিস্থিতি! কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনেই তৃণমূল ও হুমায়ুন কবীর সমর্থকদের সংঘর্ষে চাঞ্চল্য

আম আদমি পার্টিতে ফাটল! রাঘব-স্বাতি সহ বিজেপিতে একাধিক সাংসদ