সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বৈশিষ্ট্য

“ভয় পাওয়ার কিছু নেই”, গণনা চলাকালেই মমতার বড় বার্তা! পিছিয়ে থেকেও আত্মবিশ্বাসী মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা : নির্বাচনের ফলাফল থেকে জানা যাচ্ছে যে এখন পর্যন্ত বিজেপির পাল্লা ভারী। তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) সেইভাবে পিছন কাটতে পারেনি। এই পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও বার্তা দেন। তিনি হাসিমুখে বলেন, “চিন্তা করবেন না, আমরা বাঘের বাচ্চার মতো লড়ব, কেউ ভয় পাবেন না।” যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বার্তা দেন, তখন বিজেপি ১৯৪টি আসনে এগিয়ে ছিল। তৃণমূল কংগ্রেস ৯১টি আসনে এগিয়ে ছিল। এই ব্যবধান নিয়ে মমতার বক্তব্য ছিল, “এটা বিজেপির পরিকল্পনা। প্রথম দুই-তিন রাউন্ডে তাদের এগিয়ে দেখানো হচ্ছে, আমাদের পরে দেখানো হবে। অনেক জায়গায় দুই-তিন রাউন্ড গণনার পর ১০০ জায়গায় গণনা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। " তিনি আরও বলেন, "কল্যাণীতে সাতটি মেশিন ধরা পড়েছে, যেখানে মিল পাওয়া যাচ্ছে না। কেন্দ্রীয় বাহিনীর মাধ্যমে জোর করে এসব করা হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসকে সর্বত্র হয়রানি করা হচ্ছে। অফিস ভাঙচুর করা হচ্ছে, জোর করে দখল করা হচ্ছে। যেখানে ‘এস আই আর’-এর নাম জিততে পারে, সেই আসনগুলো দখল করে নেওয়া হয়েছে। তারা এখনো বলছে না যে আমরা আসনে এগিয়ে আছি, বরং মিথ্যা খবর ছড়াচ্ছে।” কর্মী ও সমর্থ...

আসামে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বোমা উদ্ধার! বড় দুর্ঘটনা রুখল সেনা

 


হাইলাইটস:

•তিনসুকিয়ার লেডো-লেখাপানি এলাকায় অবিস্ফোরিত বোমা উদ্ধার

•বোমাটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-এর সময়কার বলে অনুমান

•আতঙ্কে স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়



আসামের তিনসুকিয়া জেলার লেডো-লেখাপানি এলাকায় একটি অবিস্ফোরিত বোমা উদ্ধার হওয়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বোমাটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-এর সময়কার বলে মনে করা হচ্ছে। মরচে ধরা এই বোমাটি একটি জনবসতিপূর্ণ অঞ্চলে পড়ে থাকতে দেখা যায়, ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।



ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেয় ভারতীয় সেনা। সঙ্গে সঙ্গে একটি বিশেষ বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। প্রায় ১২ ইঞ্চি লম্বা এবং ৬ ইঞ্চি ব্যাসের এই বিস্ফোরকটিকে ঘিরে পুরো এলাকা নিরাপত্তার আওতায় আনা হয়। সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে আশপাশের বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।



বিশেষজ্ঞ দল অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বোমাটি পরীক্ষা করে সেটিকে জনবসতি থেকে দূরে একটি নির্দিষ্ট নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়। পরে নিয়ন্ত্রিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সফলভাবে সেটিকে নিষ্ক্রিয় করা হয়। স্বস্তির বিষয়, এই পুরো অভিযানে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।



এই ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দেয়, উত্তর-পূর্ব ভারতের বহু এলাকায় আজও অতীতের যুদ্ধের চিহ্ন লুকিয়ে রয়েছে। সময়ে সময়ে এ ধরনের বিস্ফোরক উদ্ধার হওয়া সেই ইতিহাসেরই অংশ। দ্রুত ও দক্ষ পদক্ষেপের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ভারতীয় সেনা আবারও তাদের দায়িত্ববোধ ও প্রস্তুতির প্রমাণ।

মন্তব্যসমূহ